হাইব্রিটদের ভীরে এখনো ত্যাগীরা ভীরতে পারে না
বন্দর প্রতিনিধি // নানা বাধা ও প্রতিকূলতা এবং ষড়যন্ত্রকে পিছলে ফেলে আলোচনায় অর্ধ ডজন জনপ্রতিনিধি, নেতা। নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরের নাসিক ২৩ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর ও মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, ২৪ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ, মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা হাজী সামাদ, জেলা পরিষদ সদস্য ও প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা আআলাউদ্দিনসহ অর্ধ ডজন নেতা করোনা মহামারীতে নিজসহ পরিবারের কথা চিন্তা না করে জনগনের জন্য মাঠে ছিল। মহামারী দূর্যোগ মূর্হুতে তারা সরকারের পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল, নিজস্ব উদ্যেগ, নিজ সম্মানীর অর্থও জনগনের মাঝে সঠিকভাবে বন্টন পূর্বক পুনরায় আলোচনায় ওসমান পরিবারের পরিক্ষিতরা। যাদের বাহু বলকে দূর্বোল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রও করেছে সরকার দলীয় একটি পক্ষ ও জামায়াত-বিএনপির একাধিক চক্র। ষড়যন্ত্রের জালে তারা আটক হলেও তা ছিল খনিকের। ষড়যন্ত্রকে পিছনে ফেলে প্রতিশোধ না নিয়ে দূর্যোগ মূর্হুতে জনগনের কথা চিন্তা করে রাজপতে। রাজনৈতিকভাবে ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের পরিক্ষিতরা গত ৮ মাস যাবত জনগনের কাছাকাছি। যেখানে সাধারন লোক ঘর থেকে বের হতে ভয় পায় সেখানে তারা নিজসহ পরিবারের কথা চিন্তা না করে অসহায়, মধ্যম আয়ের লোকদের নিয়ে সংসার তৈরি করে নিয়েছেন। সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, ২৩ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর ও মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক। দেশ তথা নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন বাড়তে শুরু হলে তারা জন সচেতনতামূলক প্রচারসহ সরকারী, ব্যাক্তিগত তহবিল, নিজস্ব উদ্যেগ এমনকি সরকারীভাবে প্রাপ্ত সম্মানী দিয়ে যাচ্ছেন। যারা চাইতে পারে না তাদের বাড়িতে রাতের আধারে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন। এছাড়া করোনা কালে ২৩ নং ওর্য়াডের কবরস্থান এলাকায় ২ মাস পূর্বে কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকা পানিবন্ধী হয়ে পড়ে। তার সমাধানও করেন। ১৫ দিন না ৭ দিনের মধ্যে নাসিক প্রকৌশলী টিম স্থান পরিদর্শন ও জড়িপ করে যান। গত ২৫ জুন দুপুরে নাসিক প্রকৌশলী ইসমাঈল হোসেনসহ একটি টিম ঘটনাস্থলে যান ও দীর্ঘ সময় থেকে পানি নিস্কাশনের জায়গাগুলো চিহৃিত করেন। এ সসময় কাউন্সিলর দুলাল প্রধানের সচিব ও সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা অনিক তালুকদার অপু, মোঃ রিপন প্রধান, শাহিন মিয়াসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। যেমন আশ্বাস, তেমনি কাজ করে প্রমান করে দিলেন জনগনের সেবাই পরম ধর্ম। মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক ও নাসিক ২৩ নং কাউন্সিলর পানিবন্ধী বাড়ি পরিদর্শন ও পানি যাওয়ার স্থানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন কাউন্সিলর দুলাল প্রধান। গত ১৮ জুন বিকেলে ২৩ নং ওর্য়াডের বাগবাড়ি হতে হাসপাতাল রোড, কবরস্থান রোড হয়ে টি হোসেন রোড পর্যন্ত দেখেন ও বিভিন্ন লোকদের সাথে আলোচনা করেন। নাসিক ২৩ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর ও মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান পরিদর্শন কালে তিনি সকলের উদ্যেশে বলেছিলেন, এমন সমস্যা আরো আগে জানাতে পারতেন। তারপরও ইনশাল্লাহ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আপনাদের দীর্ঘ দিনের সমস্যার সমাধান করা হবে। মেশিন দিয়ে প্রাথমিকভাবে পানি সেচ করে সমাধান করা হলেও কালভার্ট স্থাপন করা হবে। যে কারনে নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডস্থ চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদের মার্কেটের মাঝখান দিয়ে টি-হোসেন রোড পার হয়ে খালের সাথে সংযোগ করা হবে। কালভার্ট স্থাপন করে পানিবন্ধী মানুষগুলোকে মুক্ত করা আমার নৈতিক দায়িত্ব বলে কাউন্সিলর জানান। কাউন্সিলর আফজাল হোসেন, প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের একজন সবচেয়ে আস্তাভাজন নেতা ছিলেন। যার নামের পূর্বে একটি টাইটেল ছিল। আফজাল হোসেন নামে অনেকে চিনতে কষ্ট হলেও নেতা নামে তাকে বেশি চিনত। নাসিম ওসমানের মৃত্যু ‘র পর নিজ দলীয় একটি চক্র বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে দল থেকে দূরে রাখে। নিজে অতিষ্ট হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধির পদ ছেরে দেয়ার ঘোষনা দেন। সকল কিছু ছেরে দিলেও জনগনের সমস্যা হলে তিনি এগিয়ে যাবেন বলেও উল্লেখ্য করেন। যেমন কথা তেমনি কাজ। করোনা মহামারীতে জন দরবারে তিনিসহ তার টিম। ২৪ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর ও জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন একই ধারায় খাদ্য সামগ্রী বিতরন করছেন। রাতের আধারে মধ্যম আয়ের লোকদের ঘরে ঘরে গিয়ে নিজ হাতে তা পৌছে দেন। নির্বাচনী এলাকায়া দলমত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে ৬ টি উপ কমিটি করে তা বিতরন করছেন। কারন এমন দিনে সরকারী, এমপি, ব্যাক্তিগত তহবিল, ব্যাক্তিগত উদ্যেগে যা কিছু বিতরন করছেন তা যাতে সকলে পায়। সকল কিছুর উর্দ্ধে যারা সমস্যায় আছে তাদের কাছে এই উপহার সামগ্রী সুষ্ঠভাবে বন্টন হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য পৃথক গোপন টিম কাজ করছেন। এহসান উদ্দিন আহম্মেদ বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। সচিবের ষড়যন্ত্রের জালে যখন প্রায় আটকা পর যাচ্ছিলেন। করোনা ভাইরাসের পূর্বেই সেই জাল থেকে মুক্ত হন তিনি। উচ্চ আদালত তার বিরোধী জালকে অবৈধ ঘোষনা করেন। করোনা সংক্রমন শুরু হলে চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ জনগনের ঠিক প্রহরী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ছেন। রাতের আধারে মধ্যম আয়ের লোকদের ঘরে ঘরে গিয়ে নিজ হাতে তা পৌছে দেন। নির্বাচনী এলাকায়া দলমত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে তিনি কাজ করছেন। ত্রান সামগ্রী সুষ্ঠভাবে বন্টন করে যাচ্ছে। জনগনকে সচেতন করতে নানামুখী প্রচারনা করেন। তার ইউনিয়নের চায়ের দোকানীদের নিয়ে সভা পূর্বক তাদের খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। মসজিদের ইমাম ও কমিটির লোকদের সাথে সভা করেন এবং মসজিদের মুসল্লীরা প্রবেশের পূর্বে হাত ধোঁয়ার জন্য সাবান, মাক্স দেন। তার নিজস্ব ফেসবুক আইডীতে স্ট্যাটাস দিয়ে গোপন নাম্বার দেন। যারা কষ্টে আছে কিন্তু কাউকে বলতে পারে না সেই সমস্ত লোকদের বাড়িতে রাতের আধারে কাবার পৌছে দিচ্ছেন। প্রায় ৫ মাস যাবত প্রতি রাতে ১০ জন করে মধ্যম আয়ের লোকদের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন। করোনার উপসর্গ নেয়ার জন্য নিজস্ব অর্থায়নে ১ টি বুথ উদ্বোধন করেন। কুশিয়ারা হাজী আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ে এ বুথের উদ্বোধন করেন। সপ্তাহে ৩ দিন নমুনা নেয়া হয়। নারায়নগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও আওয়ামীলীগের ত্যাগী ননেতা মোঃ আলাউদ্দিন পরিদের অনুদানের পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল, নিজস্ব উদ্যেগে বন্দরসহ নারায়নগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মহানগর আআওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির মৃধা, হাজী সামাদ বন্দরের একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। নারায়নগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগ( ২৪ নং ওর্য়াড) সভাপতি হাজী সামাদ বয়সের ভারে নথ হলেও করোনা কালীন সময়ে জনগনের পাশে দেখা গেছে তরুন এক সামাদকে। জনপ্রতিনিধি না হলেও কারো থেকে কম যাননি তিনি। করোনা ভাইরাসের সংক্রমন শুরু হওয়ার পর থেকে নিজস্ব তহবিল, নিজ উদ্যেগে জনগনের জন্য করে যাচ্ছেন। যার কাছে দলের চেয়ে তার আর্দশের মূল্য বেশি। বন্দরে অনেক সরকার দলীয় নেতা কোটিপতি বনে গেলেও জনগনের কাছে তারা জিরো পয়েন্টে। নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও আদর্শের নীতি থেকে এক চুল পরিমান পিছু হঠেননি। মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কমল নিজ ব্যাক্তি তহবিল থেকে জনগনের পাশে দেখা গেছে। মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাজু আহম্মেদ সুজনদের দেখা গেছে করোনা মহামারির শুরু থেকে জনগনের পাশে। হাইব্রিটদের ভীরে এখনো ত্যাগীরা ভীরতে পারে না। তারপরও ওসমান পরিবারের পরিক্ষিতরা আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন